PCOS নামে পরিচিত অবস্থাটি (নতুন নাম: PMOS — polyendocrine metabolic ovarian syndrome) 2026 সালের মে মাসে আন্তর্জাতিকভাবে সম্মত নতুন নাম পেয়েছে। বাংলায় এটিকে এত দিন সাধারণত পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম বলা হতো। কিছুদিন দুটি নামই পাশাপাশি ব্যবহৃত হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা: এটি একই অবস্থা।

নাম বদলেছে, রোগনির্ণয় নয়। আপনার নথিতে PCOS লেখা থাকলে আপনার রোগনির্ণয় বহাল থাকে এবং কিছুই “বদলানোর” দরকার নেই। শুধু নাম বদলানোয় চিকিৎসার নীতিও বদলায় না — এ কারণে চিকিৎসা বন্ধ বা পরিবর্তন করবেন না; আপনার চিকিৎসা-সংক্রান্ত সব সিদ্ধান্ত ডাক্তারের সঙ্গে মিলে নিন।

নাম কেন বদলাল? পুরোনো নাম থেকে মনে হতো, এই অবস্থার মূলে আছে ডিম্বাশয়ের “সিস্ট”। কিন্তু আলট্রাসাউন্ডে দেখা পরিবর্তনগুলো আসল সিস্ট নয়, আর অবস্থাটি মূলত হরমোন ও বিপাক (মেটাবলিজম) সংক্রান্ত। এটি ঋতুচক্র, ত্বক, শারীরিক অবস্থা ও বিপাকীয় স্বাস্থ্যসহ নানা দিকে প্রভাব ফেলতে পারে। নতুন নামটি এটিকে আরও ভালোভাবে প্রকাশ করে।

কিছুদিন দুটি নাম পাশাপাশি চলবে — নথি, রেফারাল ও ইন্টারনেটে আপনি PCOS, PMOS বা দুটিই দেখতে পারেন। এটি একটি পরিকল্পিত রূপান্তরকাল। PCOS নামের পুরোনো লেখা এ কারণে পুরোনো বা ভুল হয়ে যায় না। নথিতে অপরিচিত নাম দেখলে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করলেই হবে, এটি একই রোগনির্ণয় কি না।

কী করবেন: তাড়াহুড়োর কিছু নেই। পরের সাক্ষাতে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করতে পারেন, তিনি কোন নাম ব্যবহার করেন। তথ্য খোঁজার সময় দুটি নামেই খুঁজুন।

নতুন ও উদ্বেগজনক উপসর্গ — বিশেষ করে অস্বাভাবিক রক্তপাত — রোগনির্ণয় যা-ই হোক, ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করুন: যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।

উৎস: [1] Endocrine Society — নাম পরিবর্তনের ঘোষণা (12 মে 2026); [2] Teede ও সহকর্মীরা, The Lancet (2026)।