মেনোপজ আমাদের জীবনের একটি অংশ, শেষরেখা নয়। স্ত্রীরোগ-সংক্রান্ত ও অন্তরঙ্গ স্বাস্থ্য পরের সব বছরেই স্বাস্থ্যের অংশ থাকে — 65 বা 75 বছর বয়সের পরেও। মাসিক অনেক আগে বন্ধ হয়ে গেছে মানেই বিষয়টি শেষ নয়।

চারটি বিষয় জানা দরকার।

মেনোপজের পরে রক্তপাত হলে সবসময় ডাক্তারকে জানান। শেষ মাসিকের পর এক বছর বা তার বেশি সময় পেরিয়ে গেলে যেকোনো রক্তপাত বা স্পটিং — একবার ও সামান্য হলেও — যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার কারণ। কারণটি ক্ষতিকর না-ও হতে পারে, তবু ডাক্তারের মূল্যায়ন দরকার। রক্তপাত বেশি হলে বা শরীর খারাপ লাগলে সঙ্গে সঙ্গে সাহায্য নিন।

অন্তরঙ্গ অস্বস্তি নিয়ে ডাক্তারের সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলা যায়। যোনিপথের শুষ্কতা, জ্বালাপোড়া, সহবাসের সময় অস্বস্তি, প্রস্রাবের সমস্যা — বয়সের সঙ্গে এগুলো সাধারণ এবং ডাক্তারের কাছে স্বাভাবিক বিষয়। এসব নিয়ে কথা বলতে অস্বস্তি লাগতে পারে, আর তা স্বাভাবিক। কিন্তু ডাক্তাররা প্রতিদিন এমন প্রশ্ন শোনেন, এবং প্রায়ই অস্বস্তি কমানোর উপায় থাকে।

নতুন উপসর্গ মানেই “বয়সের কারণে” নয়। শরীর, যোনিস্রাব, অন্তরঙ্গ অংশের ত্বক বা শারীরিক অবস্থায় যেকোনো পরিবর্তন হলে আগেভাগে বয়সের ঘাড়ে না চাপিয়ে ডাক্তারকে জানান। মূল্যায়ন করা ডাক্তারের কাজ।

সাক্ষাৎ ও পরীক্ষা বয়সের সঙ্গে শেষ হয় না। স্ক্রিনিং কর্মসূচির বয়সসীমা আছে, কিন্তু আপনার স্বাস্থ্য-প্রয়োজনের কোনো সীমা নেই। আপনার ক্ষেত্রে কী উপযোগী, তা ডাক্তারের সঙ্গে ঠিক করুন।

সাক্ষাতের আগে চাইলে আপনার পর্যবেক্ষণ ও প্রশ্ন কাগজে বা ফোনে লিখে রাখতে পারেন। তবে কোনো নোট ছাড়াও আসতে পারেন — কী হচ্ছে, তা বলাই যথেষ্ট।

উৎস: [1] WHO — Menopause (fact sheet); [2] NHS — Post-menopausal bleeding।