শেষ মাসিকের পর এক বছর বা তার বেশি সময় পেরিয়ে গেলে যৌনাঙ্গ থেকে রক্তপাত বা স্পটিং হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন। এই নিয়ম সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য: রক্তপাত সামান্য হলেও, একবার হলেও, ব্যথাহীন হলেও, কিংবা ইতিমধ্যে থেমে গেলেও।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে গুরুতর কিছু না হলে এটি জরুরি কেন? কারণ “দেখে” তা বোঝা যায় না। কিছু নারীর ক্ষেত্রে কারণটি নিরীহ বলে দেখা যায় — যেমন হরমোন কমার ফলে আস্তরণ পাতলা হওয়া বা নিরীহ পলিপ। কিন্তু মেনোপজের পরে রক্তপাত আরও গুরুতর রোগের উপসর্গও হতে পারে, আর এই পার্থক্য কেবল ডাক্তার পরীক্ষার পরেই করতে পারেন। দ্রুত মূল্যায়নে কারণ আগে ধরা পড়ে — আর তখনই উপযুক্ত চিকিৎসার বিকল্প সবচেয়ে বেশি থাকে।

যা করবেন না: “আবার হয় কি না” দেখার অপেক্ষা করবেন না। রক্তপাতকে বয়স, ক্লান্তি বা মানসিক চাপের ঘাড়ে চাপাবেন না। আগে নজর রাখা বা নোট লেখার জন্য সাক্ষাৎ পিছিয়ে দেবেন না: নোট আলোচনায় সাহায্য করতে পারে, তবে বাধ্যতামূলক নয় — নোট ছাড়াও আসতে পারেন।

আপনি যদি মেনোপজের হরমোন থেরাপি নেন: কিছু পদ্ধতিতে মাসিক রক্তপাত আগে থেকেই পরিকল্পিত — কী আশা করা যায়, তা ডাক্তার জানাবেন। পরিকল্পনার বাইরের রক্তপাত (অপ্রত্যাশিত, বেশি বা দীর্ঘস্থায়ী) হলে ডাক্তারকে জানান। নিজে থেকে থেরাপি বন্ধ করবেন না।

সাক্ষাৎ যেমন হতে পারে: ডাক্তার পরিস্থিতি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন, পরীক্ষা করবেন এবং প্রায়ই ট্রান্সভ্যাজাইনাল আলট্রাসাউন্ড করাবেন; কখনো কখনো আরও পরীক্ষা লাগে — সে বিষয়ে চিকিৎসাকেন্দ্র জানাবে।

জরুরি সাহায্য: রক্তপাত বেশি হলে বা তার সঙ্গে তীব্র ব্যথা, মাথা ঘোরা বা শরীর খারাপ লাগলে পূর্বনির্ধারিত সাক্ষাতের অপেক্ষা না করে সঙ্গে সঙ্গে সাহায্য নিন।

উৎস: [1] NHS — Post-menopausal bleeding; [2] NHS চিকিৎসাকেন্দ্রের রোগীদের জন্য উপকরণ (Devon, Gloucestershire)।